বদলি
বদলি👥
পৃথিবীটা খুব ছোট, ঘুরতে ঘুরতে কখনো কখনো এমন কিছু জায়গায় আমরা এসে পড়ি, যেখানে অন্তরআত্না কখনোই যেতে চায় না।
মানুষকে তো পিছে ফেলে চলে আাসা যায় আচ্ছা স্মৃতি কেনে ফেলে আসা যায় না?
শহর টা আমার প্রাক্তন প্রেমিকার। চাকরি সুত্রে দীর্ঘ সাত বছর পরে আবার ও ফিরে আসা। স্কুল কলেজ সহ জীবনের দীর্ঘ একটা অধ্যায় কেটেছে এই শহরে। অলি-গলির প্রতিটা রাস্তার ধুলোয় আজো আমার আর নীলার পদছায়া বিলীন হয় নি। কত স্মৃতি এখানেই আমাদের সেই আমাকে কি না বাধ্য হয়ে এখানে আসতে হলো?
'প্রিয় আকাশনীলা;তুমি হয়তো জেনে খুশি হবে আমি তোমার শহরে আগন্তুক হয়ে আবারো ফিরে এসেছি'
দীর্ঘশ্বাস নিয়ে ডেক্সে বসে কেস নাম্বার ১০৫ ওপেন করলাম।
এটেম্প টু মার্ডার কেস এর মামলা, যেটা একজন স্বামী তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে চার্য করেছে । বেশ অবাক হলাম মেডিকেল সার্টিফিকেটে স্পষ্ট লেখা ৩মাসের বাচ্চাটার নিউমনিয়ায় মৃত্যু তবুও কি করে এমন অভিযোগ কেউ আনতে পারে? কেসটা দমে না টিকলেও চার্জশিট এই মূর্হতে আমার হাতে। অপমৃত্যু'র কেস দিলেও তা হয়তো মানা যেতো কিন্তু সরাসরি মার্ডার কেস এনেছে জানাব সিহাব তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে।
মামলার তদন্ত স্বার্থে কেডিসি রোডের ৩২ নাম্বার বাড়ির চার তালার ১২ নাম্বার ফ্লাটে গিয়ে কলিংবেল বাজালাম। ভিতর থেকে একজন মহিলা দরজা খুলে জানতে চাইলো আমি কে? টানটান উত্তেজনা রেখে আমি পরিচয় দিলাম ফুলপুর থানার এসআই আকাশ হাসান। মিসেস নাহার বাসায় আছে? উনি আমাকে ভিতরে আসতে বলে ড্রইং রুম পেরিয়ে ভিতরের রুমে চলে গেলো।
আসসালামু আলাইকুম?
কন্ঠস্বরটা আমার কানে আসতেই আমি কেমন বৈদ্যুতিক শক্ খেলাম, তাকাতেই দেখতে পেলাম আমার সামনে বিধ্বস্ত নীলা দাড়ানো। আমি বসা থেকে উঠে দাড়িয়ে হতভম্ব হয়ে জানতে চাইলাম 'আপনি মিসেস নাহার '?
জি!কেস টা আমার এক্স হাজবেন্ট দিয়েছে আমার নামে, উনার ধারণা ১০মাস ১০ দিন পেটে পেলে পুষে আমি আমার নবজাতক সন্তান কে মেরে ফেলেছি।
উপলব্ধি করলাম আমাকে দেখে নীলার বিশেষ কোন চমকপ্রদ নেই, যেমনটা কিছুক্ষণ আগেও আমার মধ্যে ছিলো। নিজেকে সংযত করে জানতে চাইলাম 'এক্স মানে,আপনাদের অফিসিয়ালি ডিভোর্স হয়েছে'?
জি!মাস দুয়েক আগেই আমি ডিভোর্স ফাইল করিয়েছিলাম। সে আমার বাচ্চার কাষ্টেডি চেয়েছিলো যা আমি দিতে অপারগ ছিলাম। চুপচাপ মাথা নিচু করে বলে গেলো নীলা।
বাবুর বয়স কত ছিলো?
~তিন মাস,হটাৎ একদিনের ঠান্ডা, মাথায় জ্বর উঠে খিচুনি শুরু, ডাক্তারের কাছে নিতেই ডাক্তার বললো মেডিকেলে নিতে। N.I.C.U তে সাতদিন ছিলো তারপর আমি আমার আরসি কে আর ফিরে পাইনি। কথাগুলো বলেই কেঁদে ফেললো নীলা৷
আরশি নামটা কিছুটা ব্রেন্টে গিয়ে আঘাত করলো আমার। নিজেকে প্রস্তুত করে আবারো জানতে চাইলাম 'আরশির বাবাকে কেন জানানো হয় নি, আরশি অসুস্থ'?
আমি তাকে ইচ্ছে করেই জানাইনি। কারণ আমার সন্তানের বাবা এবং মা আমি একাই৷ এবারো নীলার মাথা নিচু।
আপনি বসতে পারেন, চেনাশোনা কোন এডভোকেট আছে আপনার?
নীলা মাথা নাড়িয়ে নেই জানায় আমাকে।
আমি অভিব্যক্তি স্বাভাবিক রেখে বললাম, আমাদের সাথে আপনাকে থানায় যেতে হবে..!
ভিতর থেকে নীলার মা বেড়িয়ে এলো, আমাকে দেখে অবাক হয়ে তাছিল্যের স্বরে বললো, আমার মেয়েটার জীবনটা একদম শেষ করে দিয়ে ধ্বংসস্তুপ দেখতে এসেছো নিশ্চয়ই? আমি বোকার মতন দাড়িয়ে পড়লাম বসা থেকে। আমার জুনিয়র শাকিল আমার দিকে তাকিয়ে আছে এক ধ্যান এ। হয়তো এখন ওর মনে অনেক প্রশ্ন ঘুরছে।
নীলা তার মাকে থামিয়ে বললো, কম তো তোমরাও যাওনি আম্মু কি লাভ আমার পোড়া কপালের দোষ কোন বেইমানের ঘাড়ে চাপিয়ে? সত্য স্বীকার করতে তোমার এত কষ্ট কিসের? আমার এখন ওনাদের সাথে যেতে হবে তুমি এডভোকেট রেডি করে কোর্টে আসো৷ তারপর নীলা উঠে দাড়িয়ে বললো চলুন।
মাথার মধ্যে তখনো কাল বৈশাখী ঝড় চলছে ঠিক কি থেকে কি হলো এই মেয়েটার জীবনে?
ভ্যানের কাছে আসতেই দুইজন কর্মরত মহিলা পুলিশ হ্যান্ডকাফ লাগাতে এগিয়ে এলো নীলার হাতে। আমি দাঁতের চোয়াল শক্ত করে বললাম, আনিত অভিযোগ আর প্রমানিত অভিযোগের মধ্যে নিদিষ্ট একটা তফাৎ আছে, সেটা না প্রমান না হওয়া অবধি নীলার হাতে হ্যান্ডকাফ উঠবে না। প্রতিউওরে নীলা চোখ তুলে বললো 'কারোর বিরুদ্ধে চার্যশীর্ট এবং এরেস্ট ওয়ারেন্ট ওঠা মানেই সে অপরাধী, আপনি চাইলে হ্যান্ডকাফ পড়াতে পারেন ম্যাডাম'।
আমি আর কথা বাড়ালাম না ভ্যানের সামনের সিটে উঠে বসে পড়লাম। পিছনে বসা নীলা। ভাগ্যের ও কি নির্মম পরিহাস চেনা শহরের প্রথম কেস টাই চিরচেনা মানুষের উপর নির্মিত। পুরো একটা ভিত্তিহীন কেস শুধু মাত্র আর্ক্রোশের উপর নির্ভরিত৷
ডেক্সের সামনের চেয়ারে বসা নীলা ; পানির ইনটেক বোতল টা এগিয়ে দিয়ে বললাম 'খাও' নীলা ঢকঢক করে পানি টুকু পান করলো। তারপর আমি বললাম 'আপনার সাথে আপনার স্বামীর ডিভোর্সের কোন বিশেষ কারণ'?
নীলা উওরে বললো 'অহেতুক সন্দেহ, বিয়ের ৫ বছর হওয়া শর্তেও কনসেপ করার পরে ভ্রুনহত্যার তাগিদে মানসিক অত্যাচার,দাম্পত্য কলহ, এবং পরোকিয়া'
আমি করুণ দৃষ্টিতে নীলার দিকে তাকিয়ে ভাবতে লাগলাম, এই মেয়েটা তো একদম নরম ছিলো, একটু কষ্ট পেলেই কেঁদে কেটে একাকার করতো অথচ সে কি না পাঁচ পাঁচটা বছর এসব সহ্য করে একটা অমানুষের সাথে ঘর করে গেছে?
যদি ভ্রুনহত্যাই করতে চাইতো উনি, তাহলে এখন এত মায়া কেন সেই বাচ্চার জন্য?
আসলে বাচ্চার জন্য মায়া নয়, আমার প্রতি আক্রোশ ওটা। বাবু পেটে আসার চার মাসের সময় আমি জানতে পারি তার প্রেমিকা কাম অফিস সহকারীর কথা। বহুবার তাকে বুঝিয়ে বলার পরেও যখন শেষ বুঝলো না তখন বাড়ি চলে আসলাম৷ তারপর জানতে পারলাম তারা বিয়ে করে নিয়েছে এবং কি তার সমস্ত কিছু সে তার দ্বিতীয় বউয়ের নামে দিয়ে দিয়েছে৷ বাবুকে সে স্বীকার করে না,এটা নাকি তার সন্তান ও না। এরপর বাবু হওয়ার একদিন পরেই আমি তাকে ডির্ভোস নোটিশ দিয়ে দেই, সে তা সাইন করে দেয় হাসতে হাসতে। বিপত্তি বাধলো ওখানেই যখন তার বউ তাকে দেউলিয়া করে ভেগে গেলো। তারপর থেকেই আমার কাছে ফিরতে চাচ্ছিলো আমি তাকে আমার বাবুর ছায়াও দেখতে দেইনি সন্তান টা আমার ছিলো তাই তাকে বলার প্রয়োজন মনে করিনি আমার সন্তানের অসুস্থতার কথা। এরমানে যদি এই হয় আমি আমার সন্তান আমার আরশি কে খুন করেছি তাহলে আমি খুনী আমাকে শাস্তিদিন তবে তদন্ত স্বার্থে আমার আরশির বডি কবর থেকে তুলবেন না... বলে নীলা উচ্চস্বরে কেঁদে উঠলো৷ আমি নির্বাক শ্রোতার মতন শুনতে থাকলাম সে কান্না। অথচ একটা সময় নীলার চোখের পানি আমি একদম সহ্য করতে পারতাম না৷
সিহাবের বিরুদ্ধে কোন প্রমাণ আছে যেগুলো কিনা আপনার কথাকে সত্য প্রমানিত করবে? নীলা একটা পেনড্রাইব এগিয়ে বললো 'এটাতেই সব কিছু আছে' তারপর কেটে গেলো বেশ কয়েকঘন্টা আমি আর বিশেষ কথা বাড়াইনি নীলার সাথে, কোর্টের জামিন কাগজ এনে দিতেই আমি নীলাকে কিছু জায়গায় সাইন করতে দিয়ে বললাম 'এখন বাড়ি যাও, পরের বার ডাকলে চলে এসো' নীলা সাইন করে দিয়ে বললো 'আর কিছু'? আমি ওর দিকে তাকিয়ে বললাম 'এক কাপ কফি খাওয়া যাবে একসাথে'? দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বললো থানার এস আইয়ের সাথে কফি খেতে দেখলে লোকে কলঙ্ক দিবে৷ আমি ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বললাম আমার ডিউটি আরো এক ঘন্টা আগে শেষ হয়েছে আমি শুধু তোমার জামিনের কাগজের জন্য বসে ছিলাম।তুমি বাহিরে গিয়ে অপেক্ষা করো আমি আসছি।
নীলা মাথা নিচু করে চলে গেলো আমি তাকিয়ে দেখছি আর ভাবছি এই কি সেই নীলা, যাকে আমি আকাশনীলা বলে সম্বোধন করতাম? যে নীলা আমার জন্য হাত পুড়িয়ে প্রথমবারের মতন বিরিয়ানি রান্না করে এনেছিলো বাটি ভরে? আমার নীলা তো এত চুপচাপ ছিলো না, এত নিরব ছিলো না, তাকে চুপ করতে বললেই যেনো রাজ্যের গল্প মনে পড়তো নিমিষেই আর রাতভর ধরে মুঠোফোনের ওপাশে বসে আমাকে শুনতে হতো প্রতিদিন।
বেরিয়ে পড়লাম থানা থেকে, শরীরে এখন নেভী ব্লু কালারের একটা শার্ট আর স্কাই ব্লু টাইপ ডেনিমের জ্যাকেট। ডিসেম্বরের সন্ধ্যা নীলা আমি মুখোমুখি বসে ম্যাকের চায়ের আড্ডায়। নীলার পড়নে হালকা কালাপাতা রঙ্গের কামিজ মাথায় আটপৌরে দেয়া ওরনা আর চোখমুখে ক্লান্তির স্পষ্ট ছাঁপ। আমি নিয়ন আলোয় মুগ্ধ হয়ে দেখছি আর ভাবছি 'এই আকাশনীলা তুমি এত চুপ কেন'?
নিরবতা ভেঙ্গে নীলাই প্রথম বললো ; শেষ বার তুমি ভেঙে দিয়েছিলে,বাসায় প্রচন্ড বিয়ের চাপ থাকার কারণে সিদ্ধান্তঃ হয়েছিলো আমরা কাজী অফিসে বিয়ে করবো, সকাল ৮ টা থেকে রাতের ৮টা অবধি আমি কাজী অফিসে বসা ছিলাম, তুমি আসো নি আকাশ। ,
সেদিনের আঘাতের পরে তবুও আমি উঠে দাড়িয়ে ছিলাম, আরশির শূন্যতা আমাকে একদম শেষ করে দিচ্ছে আমি একদম পারছি না একদম না...বলে হু হু করে কেঁদে উঠলো নীলা।
প্রেমিক হারানো মেয়েটিকে তবুও আমার সান্তনা দেয়ার ভাষা ছিলো সন্তান হারানো মা কে আমি কি বলে সান্ত্বনা দিব?নাকি উপহাস করে বলবো আমি আছি!তুমি চাইলে আজীবন আমি তোমার সাথে থাকবো নীলা! দূরত্ব এতটাই ভয়ানক যে এই মূহুর্তে আমি ওর হাত ধরে বলতে পারছিনা, নীলা তুমি কেঁদো না, আরশিকে আমি ফিরেয়ে দিব অপেক্ষা করো। আমি চুপচাপ নীলার কথার নিরব শ্রোতা নীলা কতটা দুঃখ ভরাক্রান্ত মনে কাঁদছে তা হয়তো আমার উপলব্ধি করার ক্ষমতা নেই তবে আমি এতটুকু উপলব্ধি করতে পারছি ওর জীবনে সবচেয়ে বড় বেইমানি টুকুই আমি ওর সাথে করেছি। প্রত্যেকটা গল্পের দুটো চরিত্র থাকে দুটোর ভুমিকা, গল্প বনর্না দু রকম, গল্পের লেখক কেবল একটি মাত্র চরিত্র নিয়েই কাজ করে আমাদের নিয়তি আমার বিপরীতে নীলাকে নিয়ে কাজ করে গেছে বারং বার৷ ওর কাছে বেশী সময় না নিয়ে সেদিন রাতেই তাকে দিয়ে এসেছিলাম ওর বাড়িতে। নীলাকে রুমে রেখে ওর মা এসেছিলো আমার সাথে কথা বলতে সেদিন অনেক অজানা কিছু জেনেছিলাম অথচ বোকা আমি এটাই জানতে পারিনি কোনদিন আমাকে নীলা কত অন্ধ হয়ে ভালোবেসেছিলো এক সময়, কে জানে হয়তো এখনো বাসে ।
কেস খারিজ হয়েছিলো আরো মাস তিনেক পরে, নীলার করা মানহানির মামলা,নারী নির্যাতনের মামলায় জেলে গিয়েছিলো সিহাব অথচ নিরপরাধী নীলা কষ্ট পেয়েছে বারং বার। অপরাধের শাস্তিতো আমারো হওয়া দরকার ছিলো নীলার মতন সহজ সরল মেয়ের মন ভাঙ্গবার?
এরপর নীলা 'ল' তে ভর্তি হয়েছে আবার,পড়াশুনা চলছে তার জোরেসরেই অথচ আমি তাকে বহুবার মানাতে চেয়েও আর পারিনি আমার করে নিতে। নীলার সাথে মাঝে মাঝেই আমার কথা হয় তবে আমি ওর মধ্যে আমার নীলাকে আর খুজে পাইনা, অবশ্য আঘাত মানুষের উওম আয়না যা তাকে নিজেকে দেখিয়ে দেয় বারবার; তবুও নীলার সান্নিধ্যের জন্যে এখন আমি বার কতেক ছটফট করি, তার চাওয়া পাওয়া নিয়ে ভাবি। অথচ নীলা আমার কল ধরে না, তার ডইং রুমে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকলেও রুম থেকে বেড়িয়ে আমাকে একটা পলক তাকে মন ভরে দেখার সুযোগ দেয় না।
পরিবর্তন দূরত্ব অবহেলার পরিসমাপ্তি হয়তো এরচেয়ে নিমর্ম হয়, পেয়েও তাকে পাওয়া হয়ে উঠে না৷
আজ দুই বছর পর বদলি আমার অন্য জেলায় ; আমি ক্ষুদে বার্তায় নীলাসাকে লিখে জানালাম ' প্রিয় আকাশনীলা,আগন্তুক হয়েই তোমার শহর ছাড়ছি,ভালো থেকো ভালোবাসা'।
হয়তো ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে অতীতের নীলা ধ্বংসাত্মক তবে আমি জানি বর্তমানের নীলার মনটা এখনো মরে যায়'নি। নীলা এখনো লুকিয়ে ভালোবাসতে জানে, মনের অগোচরে কোথাও না কোথাও দীর্ঘশ্বাস পুষে আমাকে রাখে। এই গল্পে নীলার অনুভূতি আত্নসম্মানের কাছে একজন প্রতারক, বিশ্বাসঘাতক প্রেমিকের ভালোবাসা একদম পরাজিত ।
তবে জানোতো নীলা একজন বেকার প্রেমিক চাইলেও অপ্রাপ্তবয়স্ক একজন প্রেমিকার হাত ধরে বলতে পারে না 'আকাশের হাওয়া খেয়ে, আর খড়ের ঘরে ঘুমিয়ে একজীবন কাটিয়ে দিব তোমার সাথে অনায়াসে'
~বদলি।
#উম্মে_হাবিবা_কথা ।
সাথে থাকার জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ।
Comments
Post a Comment